প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস


ইসলাম আল্লাহ তায়ালার একমাত্র পছন্দনীয় দ্বীন। এ দ্বীনকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আমাদের। দ্বীন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি মৌলিক কাজ হলো- দ্বীন সংরক্ষণ করা। আর দ্বীন সংরক্ষণের প্রধান কাজ হলো- ইলমে দ্বীন তথা কুরআন ও সুন্নাহর ইলমকে সংরক্ষণ করা। যুগে যুগে আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বান্দাদের দ্বারা এ দেশের আনাচে কানাচে প্রতিষ্ঠিত শত শত মক্তব, হিফজখানা, আলিয়া, কওমি ও দ্বীনিয়া মাদরাসাসহ সকল দ্বীনি মারকাজ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল ইলমে দ্বীনকে সংরক্ষণ করা। জ্ঞানার্জন ও সে মোতাবেক আমল করার মাধ্যমে ইলমে দ্বীনকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় দ্বীন সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত এ সকল মাদরাসার মধ্যে বিশেষ করে আলিয়া মাদরাসার বর্তমান অবস্থা বড়ই নাজুক। শিক্ষার্থীদের একটা বিরাট অংশ ইলমের প্রকৃত স্বাদ না পাওয়ায় ইলমে দ্বীনের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করা থেকে বঞ্চিত থাকে। আবার যারা বহু সংগ্রাম করে টিকে থাকে তারাও সঠিক পরিবেশের অভাবে ইলমে দ্বীনের প্রকৃত স্বাদ গ্রহণ করা থেকে মাহরুম হচ্ছে। যে সকল আলিয়া মাদরাসায় এখনো ইলমের ধারা জারি আছে তার সংখ্যাও অত্যন্ত নগণ্য। এ দূরাবস্থার পিছনে যে সকল কারণ রয়েছে তন্মধ্যে শিক্ষার্থীদের দুনিয়ামুখিতা এবং আরবি ভাষা ও ব্যাকরণে তাদের দূর্বলতা অন্যতম। তাই আলিয়া মাদরাসার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে, ইলম ও আমলের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদেরকে যোগ্য এবং আমলদার হক্কানি আলেম হিসেবে তৈরী করতে একটু ভিন্ন প্রয়াস প্রয়োজন। সে প্রয়াসেরই নাম - দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা (তাখসীসি শাখা)